Showing posts with label ইসলামিক Level. Show all posts
Showing posts with label ইসলামিক Level. Show all posts

Tuesday, 24 June 2014

পরিবহনে ছালাত:-

পরিবহনে কিংবা ভীতিকর অবস্থায় ক্বিবলামুখী না হ’লেও চলবে।[1]অবশ্য পরিবহনে ক্বিবলামুখী হয়ে ছালাত শুরু করা বাঞ্ছনীয়।[2]যখন পরিবহনে রুকূ-সিজদা করা অসুবিধা মনে হবে, তখন কেবল তাকবীর দিয়ে ও মাথার ইশারায় ছালাত আদায় করবে। সিজদার সময় মাথা রুকূর চেয়ে কিছুটা বেশী নীচু করবে।[3]যখন ক্বিবলা ঠিক করা অসম্ভব বিবেচিত হবে, কিংবা সন্দেহে পতিত হবে, তখন নিশ্চিত ধারণার ভিত্তিতে ক্বিবলার নিয়তে একদিকে ফিরে সামনে সুৎরা রেখে ছালাত আদায় করবে।[4]নৌকায় দাঁড়িয়ে ছালাত আদায় করবে, যদি ডুবে যাওয়ার ভয় না থাকে।[5]এ সময় বা অন্য যে কোন সময় কষ্টকর দাঁড়ানোর জন্য কিছুতে ঠেস দেওয়া যাবে।[6]
[1]. বাক্বারাহ ২/২৩৮; মুত্তাফাক্ব‘আলাইহ, ইরওয়া হা/৫৮৮; ইবনু মাজাহ হা/১০২০; নায়ল ২/২৪৯।[2]. আবুদাঊদ হা/১২২৪-২৮; নায়ল ২/২৯১ পৃঃ।[3]. আবুদাঊদ হা/১২২৭; বায়হাক্বী, আহমাদ, তিরমিযী, ছিফাত ৫৫-৫৬ পৃঃ।[4]. দারাকুৎনী, হাকেম, বায়হাক্বী, তিরমিযী, ইবনু মাজাহ, ইরওয়া হা/২৯১।[5]. বাযযার, দারাকুৎনী, হাকেম, ছিফাত, পৃঃ ৫৯; ছহীহুল জামে‘ হা/৩৭৭৭; নায়ল ৪/১১২।[6]. আবুদাঊদ, হাকেম, সিলসিলা ছহীহাহ হা/৩১৯; ইরওয়া হা/৩৮৩।

Monday, 23 June 2014

অবশেষে দীর্ঘ আইনি জটিলতার পর ‘আল্লাহ’ শব্দ ব্যবহারের সুযোগ আর পাচ্ছেনা খ্রিস্টানরা

আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: মালেশিয়ার সর্বোচ্চ আদালত খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের দায়েরকৃত আপিলটি সোমবার খারিজ করে দিয়েছেন। ‘আল্লাহ’ শব্দ ব্যবহারের অনুমতি চেয়ে তারা ওই আর্জি পেশ করেছিল। এই শব্দটি নিয়ে সেখানকার স্থানীয় মুসলিম ও খিস্টান সম্প্রদায়ের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে।
 LinaJoyR3005_468x298

Monday, 9 June 2014

ঘুমানোর আগে মরণের স্মরণ

ঘুমানোর আগে মরণের স্মরণ
আলী হাসান তৈয়ব
সম্পাদনা : ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া
নিদ্রা এক ধরনের মৃত্যু। নিদ্রায় বিভোর মানুষ মৃত ব্যক্তির মতোই। পাশের বাড়িতে চুরি-ডাকাতি হলে সে টের পায় না। খুব পাতলা ঘুম না হলে বিছানায় পাশে থেকে কেউ উঠে গেলেও সে বুঝতে পারে না। অনেক কুম্ভকর্ণের মানুষকে তো ঘুমন্ত অবস্থায় এক ঘর থেকে আরেক ঘরে নিয়ে গেলেও ঠাওর করতে পারে না। আসলে মৃত্যু তো আত্মার স্থানান্তর। মানুষের ধর ভূমিতে থাকে, কিন্তু তার আত্মা চলে জান্নাত বা জাহান্নামের ঠিকানায়। আল্লাহর কবজায়।
জীববিজ্ঞানের ভাষায়, প্রাণ আছে এমন কোনো জৈব পদার্থের (বা জীবের) জীবনের সমাপ্তিকে মৃত্যু বলে। এর মধ্য দিয়ে থেমে যায় প্রাণীর-জীবের শ্বসন, খাদ্যগ্রহণ, পরিচলন- সবই। মৃত মানুষটি আর কথা বলে না। হাসে না। কাঁদেও না। অনন্তকালের জন্য তার চোখের পাপড়ি দুটো বুজে যায়। এই তো মৃত্যু। এই তো চিরবিদায়ে আল্লাহর চিরাচরিত অমোঘ রীতি। এ অনিবার্য। এ অবধারিত। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿ كُلُّ نَفۡسٖ ذَآئِقَةُ ٱلۡمَوۡتِۖ ثُمَّ إِلَيۡنَا تُرۡجَعُونَ ٥٧ ﴾ [العنكبوت: ٥٧]
‘প্রতিটি প্রাণ মৃত্যুর স্বাদ আস্বাদন করবে, তারপর আমার কাছেই তোমরা প্রত্যাবর্তিত হবে।’ {সূরা আল-‘আনকাবূত, আয়াত : ৫৭}
ঘুমের ব্যাপারটিও তেমনি। যত বীর-বাহাদুর হোন না কেন, এক সময় ঘুমের কাছে আপনাকে হার মানতে হবেই। নিদ্রার কোলে ঢলে পড়তে হবে মৃত্যুর মতোই। কুরআন ও সহীহ হাদীস বলছে, নিদ্রাকালে মানুষের রূহ বা আত্মা নিয়ে নেওয়া হয়, যেমন করা হয় তার মৃত্যুকালে। মরণ এসে গেলে এ ঘুম হয়ে যায় চিরনিদ্রা অন্যথায় নিদ্রা টুটে গেলে সে আবার জীবন ফিরে পায়। আল্লাহ তা‘আলা ইরশাদ করেন,
﴿ ٱللَّهُ يَتَوَفَّى ٱلۡأَنفُسَ حِينَ مَوۡتِهَا وَٱلَّتِي لَمۡ تَمُتۡ فِي مَنَامِهَاۖ فَيُمۡسِكُ ٱلَّتِي قَضَىٰ عَلَيۡهَا ٱلۡمَوۡتَ وَيُرۡسِلُ ٱلۡأُخۡرَىٰٓ إِلَىٰٓ أَجَلٖ مُّسَمًّىۚ إِنَّ فِي ذَٰلِكَ لَأٓيَٰتٖ لِّقَوۡمٖ يَتَفَكَّرُونَ ٤٢ ﴾ [الزمر: ٤٢]
‘আল্লাহ জীবগুলোর প্রাণ হরণ করেন তাদের মৃত্যুর সময় এবং যারা মরেনি তাদের নিদ্রার সময়। তারপর যার জন্য তিনি মৃত্যুর ফয়সালা করেন তার প্রাণ তিনি রেখে দেন এবং অন্যগুলো ফিরিয়ে দেন একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত। নিশ্চয় এতে চিন্তাশীল সম্প্রদায়ের জন্য অনেক নিদর্শন রয়েছে।’ {সূরা আয-যুমার, আয়াত : ৪২}

জাহান্নামের সর্বনিম্ন শাস্তি

আপনি সবই মানেন সবই বোঝেন, কিন্তু
অলসতা কিংবা ইচ্ছাকৃতভাবে পালন
করেন না, কি করে আশা করেন জান্নাত
পাওয়ার। অনেকে বলেন ভাই
আমি তো জাহান্নামী,
তাদেরকে বলতে ইচ্ছে করে ভাই
জাহান্নামকে আপনি কি মনে করেন?
সাধারন জেলখানা ? তাহলে শুনুন
নু’মান ইবনে বাশীর রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু
থেকে বর্ণিত।